নিজস্ব প্রতিবেদক
রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছেন।
রোববার (১৮ জুন) বিকেলে ড. মোশাররফ হোসেনের ছেলে বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য খন্দকার মারুফ হোসেন এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, আব্বা চিকিৎসকের পরামর্শে হাসপাতালে নিবিড় পর্যবেক্ষণে থাকবেন। এসময়ে তার খোঁজ নিতে কাউকে সশরীরে হাসপাতালে না আসার অনুরোধ জানাচ্ছি। যে যার এলাকায় থেকে মহান আল্লাহর কাছে আব্বার সুস্থতায় দোয়া করতে অনুরোধ জানাচ্ছি।
গত শুক্রবার দিনগত মধ্যরাতে হঠাৎ বুকে ব্যথা অনুভব করলে ড. মোশাররফকে বসুন্ধরায় এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়। গতকাল শনিবার বিকেলে খালেদা জিয়া একই হাসপাতাল থেকে বাসায় ফেরার সময় লবিতে খন্দকার মোশাররফের সঙ্গে কুশল বিনিময় হয়। এসময় দুজনেই হুইল চেয়ারে বসা ছিলেন।
গত ১২ জুন দিনগত মধ্যরাতে হঠাৎ অসুস্থ বোধ করলে খালেদা জিয়াকে দ্রুত এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে তার পরীক্ষা-নিরীক্ষা হয়। পরে নিবিড় পর্যবেক্ষণে থেকে চিকিৎসা নিয়ে পাঁচদিন পর গতকাল শনিবার (১৭ জুন) সন্ধ্যা ৭টা ৫০ মিনিটে গুলশানের বাসা ফিরোজায় ফেরেন খালেদা জিয়া।
১৯৪৬ সালের ১ অক্টোবর কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার গয়েশপুর গ্রামে জন্ম খন্দকার মোশাররফ হোসেনের। মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে বিশ্ব জনমত সৃষ্টিতে প্রবাসীদের সংগঠিত করতে তার ভূমিকা ছিল। তৎকালীন সময়ে তিনি ছাত্রসংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক হিসেবে নেতৃত্ব দেন।
কুমিল্লা-২ আসন থেকে একাধিকবার জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন ১৯৭৯ সালে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আহ্বানে বিএনপিতে যোগ দেওয়া ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন। এসময় তিনি সরকারের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়েও মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
এরমধ্যে ১৯৯১ থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত তিনি বিএনপি সরকারের বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, ১৯৯৬ সালে স্বল্পমেয়াদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত চারদলীয় জোট সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।
প্রকাশ: সোমবার, ১৯ জুন ২০২৩, রাত ১২:৩৪
Discussion about this post